রক্তে আঁকা ফিলিস্তিন pdf ডাউনলোড

রক্তে আঁকা ফিলিস্তিন pdf download, জসিমউদ্দীন আহমাদ বই pdf download, rokte aka palestine pdf download
রক্তে আঁকা ফিলিস্তিন pdf download, জসিমউদ্দীন আহমাদ বই pdf download, rokte aka palestine pdf download


একটু পড়ুন: রক্তে আঁকা ফিলিস্তিন

'আপনি যদি জানতে চান বায়তুল মোকাদ্দাসে আমাদের হাতে বন্দীদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়েছে, তাহলে এটুকু জেনে নিন, 'আমাদের সৈন্যরা সোলায়মান মন্দিরে পৌঁছেছে মুসলমানদের রক্তের গভীর স্রোত পার হয়ে। রক্তে ডুবে গিয়েছে ঘোড়ার উরু...'

প্রাচীন ফিলিস্তিন

প্রাচীনকালে কেনান নামে পরিচিত ফিলিস্তিন ভূ-খণ্ডের আয়তন আড়াই হাজার বর্গমাইল। ভূ-মধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলের বর্তমান মিসর, জর্দান, সিরিয়া ও লেবাননের পাশে অবস্থিত ফিলিস্তিন একটি উর্বর ও ভারসাম্যপূর্ণ আবহাওয়ার দেশ। ফিলিস্তিন আলাদা কোনো দেশ নয়, হাদিসের বর্ণনানুযায়ী এটি 'বিলাদুশ শামের একটি অংশ। সাইয়্যেদেনা মুসা ও ঈসা আলাইহিমুস সালামের মতো নবীর আবির্ভাব এবং ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সফর ও বসবাসের স্থান ছিল আজকের ফিলিস্তিন'। ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে দেশটির কৌশলগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। জেরুসালেম বা আল-কুসত ফিলিস্তিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এটি পূর্বদিক থেকে 'জায়ন' ও পশ্চিম দিক থেকে 'জয়তুন' পাহাড় দিয়ে ঘেরা। 'জায়ন' অর্থ- 'রৌদ্রোজ্জ্বল'। এ পাহাড়ের নাম তাওরাত ও ইঞ্জিলেও এভাবে বর্ণিত আছে।

  • ১: সিরিয়া, ফিলিস্তিন, মিসর, জর্দান ও লেবানন- এই পাঁচটি দেশ নিয়ে গঠিত অঞ্চলটি রোমান আমল ও উসমানি তুর্কি খেলাফত আমল পর্যন্ত পরিচিত ছিল বিলাদুশ শাম নামে।
  • ২: বর্তমান ফিলিস্তিনের আল-খলিলে ( হেবরন) সাইয়্যেদেনা ইবরাহিম আলাইহিস সালামের মাজার রয়েছে। 
  • ৩: জেরুসালেম নিয়ে পরিশিষ্ট দেখুন।

ফিলিস্তিনের ঘটনাবহুল ইতিহাসের শুরু নবীগণের কাহিনি দিয়ে। ইয়াকুব আলাইহিস সালামের অন্য নাম ইসরঈল। হিব্রু ইসরঈলের বাংলা অর্থ, 'আল্লাহর বান্দা'। বনি ইসরাঈল ইয়াকুব আলাইহিস সালামের বংশধর। । খৃস্টপূর্ব তের শতাব্দী যাবৎ তারা মিসরে ক্ষমতাধর ছিল। ফেরাউনের রাজত্বকালে মিসরে ইসরঈলিদের সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। 


দেশটিতে ইয়াকুব আলাইহিস সালামের আগমনের প্রায় চারশ তিরিশ (৪৩০) বছর পর মুসা আলাইহিস সালাম বনি ইসরঈলকে মিসর থেকে প্রতিশ্রুত ভূ-খণ্ডে (ফিলিস্তিন) স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেন। যার ধারাবাহিকতা চল্লিশ বছর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সাইয়্যেদেনা মুসা আলাইহিস সালাম চল্লিশ দিনের জন্য দশ অধ্যায়বিশিষ্ট আসমানি নির্দেশনামা (তাওরাত) আনতে গোত্র ছেড়ে অদৃশ্য হলে বনি ইসরঈল পুনঃ মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়। এই অবাধ্যতার শাস্তিস্বরূপ চল্লিশ বছর পথ হারিয়ে মরুভূমিতে লক্ষ্যহীন ঘুরে বেড়ায় এ সম্প্রদায়। মুসা আলাইহিস সালাম দীর্ঘ এই সময়েও গোমরাহ এই সম্প্রদায়কে দ্বীনের পথে পরিচালনা থেকে বিরত হননি বা তাদের সঙ্গ পরিত্যাগ করেননি। 

বনি ইসরাঈলিরা এসময় বার বার বিদ্রোহ ও সীমালঙ্ঘন করেছে। মুসা আলাইহিস সালামের ইন্তেকালের পর আল্লাহর নবী ইউশা ইহুদিদেরকে জর্দান থেকে পথ দেখিয়ে প্রতিশ্রুত ভূ-খণ্ডে নেওয়ার ব্যাপারে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। এরপর থেকে এ সম্প্রদায় যে-কোনো নতুন শহরে উপনীত হতো, সেখানেই চালাত লুটতরাজ ও গণহত্যা। জেরুসালেমের আদিবাসী"-বাদশাহ প্রতিবেশী অন্য পাঁচটি শহরের রাজার সঙ্গে মৈত্রীস্থাপন করে বনি ইসরাঈলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন। কিন্তু যুদ্ধে পরাজিত প্রতিপক্ষকে বনি ইসরঈলিরা নির্বিচারে হত্যা করে।  

  • ৪: ফিলিস্তিনের আদিবাসীরা ছিল মাস-দেবতার পূজারী। মুসা আলাইহিস সালামের নেতৃত্বে মিসর থেকে ইহুদি জাতি কানানে হিজরতকালীন ফিলিস্তিন ছিল এদের মজবুত নিয়ন্ত্রণে। এরা ছিল সুদক্ষ যোদ্ধা জাতি। বনি ইসরাঈলের নবী তালুত আলাইহিস সালাম আল্লাহর নির্দেশে মাস- দেবতার পুজারীদের যুদ্ধে পরাজিত করেন। আদিবাসী রাজা জালুত নিহত হয় দাউদ আলাইহিস সালামের হাতে। এ ঘটনা পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারায় বিস্তারিত উল্লেখ আছে।

যদিও ফিলিস্তিনের আদিবাসীদের সঙ্গে যুদ্ধে বনি ইসরাঈল পরাজিত হয়। এরপর দুই সম্প্রদায়ের মাঝে আরো ক'টি যুদ্ধ সংঘটিত হয়। শেষঅবধি বনি ইসরঈল শক্তি ও কূট- কৌশলের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহরে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় সমর্থ হয়।


সাইয়্যেদেনা ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের এক হাজার বছর আগে দাউদ আলাইহিস সালাম তালুতের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনের স্থানীয় বাসিন্দাদের হাত থেকে জেরুসালেম শহরটি মুক্ত করেন। দাউদ আলাইহিস সালামের পুত্র সোলায়মান আলাইহিস সালাম ফিলিস্তিনে আল্লাহর ঘর বায়তুল মোকাদ্দাস পুনঃনির্মাণ করেন। মক্কা মোকাররামায় ইবরাহিম আলাইহিস সালাম কর্তৃক পবিত্র কা'বা পুনঃনির্মাণের প্রায় এগারো শ' (১১০০) বছর পর এবং ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের নয়শ সত্তুর (৯৭০) বছর আগে বায়তুল মোকাদ্দাস নির্মিত হয়। 


দাউদ আলাইহিস সালাম পবিত্র কা'বার পুনঃনির্মাতা ইবরাহিম আলাইহিস সালামের চৌদ্দতম অধঃস্তন পুরুষ। 'মথি' গসপেল' অনুসারে ঈসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সম্পর্ক আটাশ পুরুষের। পবিত্র কা'বার প্রথম নির্মাতা আদম আলাইহিস সালাম, এরও আগে ফেরেশতা কর্তৃক এটি নির্মিত হয়েছে। বায়তুল মোকাদ্দাসের ভিত্তি পাড়েন ইবরাহিম আলাইহিস সালাম, পরবর্তীতে সোলায়মান আলাইহিস সালাম ওই ভিত্তির ওপর একটি সুদৃশ্য মসজিদ নির্মাণ করেন। তাওহিদপন্থীদের কাছে এটি মসজিদে আকসা নামে পরিচিত।

  • ৫: বাইবেলের বর্তমানে চারটি সংস্করণ বহুল প্রচলিত। এগুলোকে একত্রে বলা হয়, গসপেল (Gospel) বা 'সুসমাচার'। যিশুর (ঈসা) জীবন, মৃত্যু ও পুনরুজ্জীবনের বিবরণ গসপেল। গসপেলের বহুল প্রচলিত উদাহরণ নিও টেস্টামেন্ট বা নতুন নিয়মের চারটি সংস্করণ- মার্ক, লুক, মথি ও জনের লেখা গসপেল। এই চারটি গসপেল ছাড়াও বাইবেলের আরো সংক্ষরণ রয়েছে। যে গসপেলগুলোতে তাওহিদ বিশ্বাস ও শেষনবী হিসেবে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লামের কথা বর্ণিত ছিল হিংসুক খৃস্টান পাদ্রীরা সেগুলো পুড়িয়ে ফেলেছে বা নিষিদ্ধ করেছে। বর্তমানে বাইবেলের প্রায় পঁচিশ হাজার সংস্করণ আছে যেগুলোর কোনো দুইটি এক রকমের নয় । (Stott, John R. W. "Basic Christianity". Inter-Varsity Press, 1971 p. 12, Keller, Timothy. "The Reason for God". Dutton, 2008. p. 100, Craig Evans, "Life-of-Jesus Research and the Eclipse of Mythology", Theological Studies 54 (1993) p.5)

মুসার তোরঙ (Trunk )

একটি ছোট্ট গোলাকার তোরঙে নবজাতক মুসাকে রেখে নীলনদে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন মা, পরবর্তীতে মুসা আলাইহিস সালাম এই তোরঙে তাঁর নির্দেশাবলি ও ওহির (আল্লাহর প্রত্যাদেশ) লিপিকা বোর্ড, বর্ম ও নবুয়তের নিদর্শনাদি রাখেন। দাউদ আলাইহিস সালামের সময় এর বাইরের ও ভেতরের দিকটিকে সোনার প্রলেপ দিয়ে অলঙ্কৃত করা হয় এবং এটি নিয়ে আসা হয় ‘জায়ন' পাহাড়ে। এরপর এই তোরঙকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় একটি ইবাদতগাহ। 


অল্প কিছুদিনের জন্য এই তোরঙ ফিলিস্তিনের আদিবাসীদের হস্তগত হয়। এরপর পুনরায় তা ফিরিয়ে দেওয়া হয় বনি ইসরাঈলের কাছে। সোলায়মান আলাইহিস সালামের সময় এটি ছিল জায়ন পাহাড়ে। বায়তুল মোকাদ্দাস নির্মাণের পর একে স্থানান্তর করা হয় আল-কুদসে। সোলায়মান আলাইহিস সালাম রাজত্ব করেন চল্লিশ বছর। বায়তুল মোকাদ্দাসসহ প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোতে এসময় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর ইন্তেকালের পর বনি ইসরাঈল পুনরায় জুলুম-অত্যাচার ও লুটতরাজে জড়িয়ে যায়। এসময় তাদের রাজ্য ভেঙে পড়ে।


খৃস্টপূর্ব ৭০০ অব্দে সম্রাট 'সালমানেস' ইহুদিদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদেরকে দাসত্বের শেকলে আবদ্ধ করে এবং ইহুদিদের পরিবর্তে জেরুসালেমে ব্যবিলনীদের অভিবাসিত করে। ফলে এই অঞ্চলের ইহুদিরা ভূমিদাসে পরিণত হয়। খৃস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে রাজা 'বুখতাছেরে'র সময় আগুরি সম্প্রদায়ের হামলার ফলে অবশিষ্ট ইহুদি কতৃত্ব ভেঙে পড়ে এবং ইহুদি গোত্রগুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বহু ইহুদি আশুরিদের হাতে দাস হিসেবে নিগৃহীত হয়। আগ্রাসীরা সোলায়মান আলাইহিস সালামের ইবাদতখানাটিও ধ্বংস করে দেয়। বায়তুল মোকাদ্দাস নির্মাণের ৪৮০ বছর পূর্বে (খৃস্টপূর্ব প্রায় সাড়ে চৌদ্দশ' বছর আগে) ইউশা বিন নুনের নেতৃত্বে বনি ইসরঈলের (ইহুদি সম্প্রদায়)


ফিলিস্তিন ভূ-খণ্ডে আগমনের পর থেকে দেশটি আনন্দের মুখ দেখেনি। অদ্যবধি (সাড়ে তিন হাজার বছর) অশান্তির অনলে জ্বলছে ফিলিস্তিনে। ইহুদি সম্প্রদায়ের পরবর্তী নবী- আরমিয়া, আশইয়া ও দানিয়েল আলাইহিমুস সালাম জেরুসালেমের ধ্বংস ও বনি ইসরঈলের দুঃখ-কষ্ট, বন্দীত্ব প্রত্যক্ষ করে তাদের সান্ত্বনা ও প্রবোধ দিয়েছেন। তাঁরা ইহুদিদেরকে 'মহান মুক্তিদাতার' আগমনের সুসংবাদ দান করতেন। তাঁদের বাণী, কবিতা ও শ্লোক তাওরাতে উল্লেখ রয়েছে।

দুর্দশাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পারস্যে (ইরান) বাদশাহ সাইরাসের উত্থান ছিল। ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য উল্লসিত হওয়ার উপলক্ষ। বিজয়ের ধারাবাহিকতায় সাইরাস ৫৩৮ খৃস্টপূর্বাব্দে ব্যবিলন দখল করলে বনি ইসরাঈল জুলুম থেকে মুক্তি লাভ করে। সাইরাসের বদান্যতায় জেরুসালেম ফেরতের সুযোগ পায়

  • ৬: সাইরাস প্রথম ক্যামবিসেসের সন্তান। মা ম্যান্ডেন মিদিয়ান সম্রাট অস্টিয়েজের কন্যা। জ্যোতিষ গণনায় ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল, রাজকুমারী ম্যান্ডেনের গর্ভে যে পুত্রসন্তানের জন্ম হবে, সে হবে বিদ্রোহী এবং একসময় এই অঞ্চলের একচ্ছত্র অধিপতির আসনে বসবে সে। গণকদের এ ভাববাণী ছিল এক স্বপ্নের ব্যাখ্যা। সাইরাস নামটি প্রাচীন পারসিয়ান শব্দ কোরস থেকে। এসেছে, যার অর্থ- জ্যোতির্ময় (like the Sun)। ইন্দো-ইউরোপিয়ান অর্থে, 'শত্রুর যম (humiliator of the enemy)। ৫৫৮ খৃস্টপূর্বাব্দে পিতা ক্যামবিসেস মারা গেলে ত্রিশ বছর বয়সে সাইরাস সিংহাসন আরোহণ করেন। তিনি সুদক্ষ ও সুসজ্জিত বৃহৎ একটি সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। হঠাৎ করে তার অসাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলি প্রকাশ পায়। দশ বছরের সংক্ষিপ্ত সময়ে তিনি সমগ্র মাদিয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হন। [ রাসূলের চোখে দুনিয়া pdf ডাউনলোড ] এরপর তার রাজ্যসীমা স্বল্পসময়ের মধ্যে পারস্যসহ মেসোপটেমিয়া উপত্যকার উত্তর অংশ, আরমেনিয়া ও এশিয়া মাইনর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। বিশ বছরের মধ্যে তিনি পূর্বে ইন্ডিস নদী থেকে এজিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী সমস্ত ভূ-খণ্ডের অধিপতি হন। ৫৩০ খৃস্টপূর্বাব্দে সাইরাস সেমিনোমাডিকানদের বিদ্রোহ দমনে গিয়ে নিহত হন। সেমিনোমাডিক রাণী টমিরিস তার মাথা কেটে রক্ত ভর্তি চামড়ার থলিতে ফেলে দেন। সাইরাসের সমাধি ইরানে অবস্থিত। (Jack Martin Balcer (1984). Sparda by the bitter sea imperial interaction in western Anatolia. Rollinger, Robert, "The Median "Empire", Herodotus, The Histories, Book 1, 440 BC. Tr. by George Rawlinson.)

ইহুদিরা। সম্রাটের ধর্মীয় সম্প্রীতির ফলস্বরূপ আল্লাহর ঘর (আল-কুদস ) পুনঃনির্মিত হয়। জেরুসালেমের শান্তিপূর্ণ এই অবস্থা বহাল থাকে রাজা তৃতীয় দারিউসের সময় পর্যন্ত। খৃস্টপূর্ব ৩২৩ সালে গ্রিক সম্রাট আলেকজান্ডার মিসর, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, ফানাকিয়া ও পারস্যে আগ্রাসন শুরু করলে পুনরায় এসব দেশে ধ্বংস, গণহত্যা ও লুটতরাজ নেমে আসে। পরবর্তীতে আলেকজান্ডারের উত্তরসূরিরা ফিলিস্তিনে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। খৃস্টপূর্ব ৬৩ সাল থেকে এ অঞ্চলে শুরু হয় রোমান আধিপত্য। আরমেনিয়া ও এশিয়ার কিছু অংশ এবং আফ্রিকায় আগ্রাসন চালানোর পর রোমানরা সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের ওপর চড়াও হয়। 


৭০ খৃস্টাব্দে রোম-সম্রাটপুত্র টাইটাস ইহুদি বিদ্রোহ দমনে আশি হাজার সৈন্য নিয়ে জেরুসালেম অবরোধ করে। কয়েক মাসের প্রবল প্রতিরোধ সত্ত্বেও ইহুদিরা রোমানদের হাতে পরাভূত হয়। নিহত হয় বারো হাজার ইহুদি। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় জেরুসালেম। ধ্বংস হয় বায়তুল মোকাদ্দাস। প্রাণে বাঁচতে দশ লাখ ইহুদির অধিকাংশ পৃথিবীর নানান দেশে পালিয়ে যায়। রোম সম্রাট হেডারিয়ানস পরবর্তীতে ধ্বংসপ্রাপ্ত জেরুসালেম পুনঃনির্মাণ করলেও বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ইহুদিদের ফিলিস্তিন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

রক্তে আঁকা ফিলিস্তিন pdf download করতে নিচে ডাউনলোড বাটন ক্লিক করুন।

Post a Comment

স্প্যাম কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন! ধন্যবাদ, পিডিএফ বই ডাউনলোড সমস্যা হচ্ছে? এখানে দেখুন>যেভাবে PDF ডাউনলোড করবেন?

Previous Next

نموذج الاتصال